![]() |
| সোনাহাট স্থলবন্দর থেকে ঢাকা অান্তঃনগর ট্রেন স্থলবন্দরটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সকলের অভিমত। |
সোনাহাট স্থলবন্দর গতি পাবে আন্তঃনগর ট্রেন হলে। ভারতের সঙ্গে আমদানি রফতানি সহজ করতে, অনেক প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু হয়, কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দরের। কিন্তু চালুর দুই বছর পেরিয়ে গেলেও, উন্নয়নের ছোঁয়া না লাগায় গতি হারাচ্ছে বন্দরের কার্যক্রম। এতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
বলছেন, ভারতের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হওয়ায়, এটি হতে পারে, সম্ভাবনার স্থলবন্দর।
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর। আধা পাকা কাস্টমস অফিস। বেহাল রাস্তাঘাট। ঝুঁকিপূর্ণ সেতু।সবমিলিয়ে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাব। এসব দিয়েই চলছে জোড়াতালির বন্দর কার্যক্রম। এ নিয়ে ক্ষোভের অন্ত নেই ব্যবসায়ীদের।
ভারতের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায়, গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থলবন্দর হতে পারে, এটি। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, সেতুসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হলে, যোগাযোগের সুব্যাবস্থা না থাকলে হুমকিতে পড়বে বন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যকম। তবে এতে শুধু কুড়িগ্রাম বাসী বা ব্যবসায়ীরাই নন, নানা অব্যবস্থাপনায় ক্ষুব্ধ বন্দর কর্মকর্তারাও।
১০টি পণ্য আমদানির অনুমতি থাকলেও, বর্তমানে শুধু কয়লা ও পাথর আমদানি হচ্ছে কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে।
সোনাহাট রেলওয়ে ব্রীজ মেরামত করে তাতে রেলপথ সংযুক্ত করে কুড়িগ্রাম হয়ে সরাসরি ঢাকা পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হলে রাজধানীর সাথে সহজ যোগাযোগের ব্যাবস্থা করা করা সম্ভব।এতে দুর দুরান্তের ব্যাবসায়ীরাও এই স্থল বন্দরের ব্যাপারে আগ্রহী হবে এবং বাড়বে স্থলবন্দরের ব্যাস্ততা।এর ফলে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে কুড়িগ্রাম সহ সারাদেশ। এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

0 Comments
Post a Comment