অভিভাবকহীন সম্মান কোর্স এবংকুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ।

[fb link]
১১ আগস্ট ২০১৬
বিদায় অনুষ্ঠান;
শিক্ষাবর্ষঃ (২০১০-১১)
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম।
উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে আমিও একজন বিদায়ী শিক্ষার্থী ছিলাম।
উপস্থাপক ছোট বোন মার্জিয়া
শুভেচ্ছা বক্তব্যের সুযোগ করে দিলে সকলকে অবগত করতে পেরেছিলাম কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের
কিছু বাস্তব চিত্র এবং শিক্ষার বাস্তবরুপ।
নিচে সংক্ষেপে
আমার বক্তব্যটি তুলে ধরছি....
'প্রসঙ্গের প্রাসঙ্গিকতা
চিত্রের বিচিত্রতা
এবং
আলোচনায় সমালোচনা
পূর্বে ছিলো, এখনো আছে, আজীবন থাকবে।'
তবুও বলছি.....
আমার কিছু বলার আছে।
বিজ্ঞানের একজন ছাত্র হিসাবে বিশ্বাস সিস্টেম হিসাবে আমার চেনা জানা অতি পরিচিত কুড়িগ্রামের সরকারি কলেজ। আর ইহারই শিক্ষা ব্যবস্থ্যর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার সত্যিকারের চিত্র পরিস্ফুটিত করতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ।
প্রথমত,
আপনারা জানেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সম্মান কোর্সে ১৪ টি বিভাগ অন্তর্ভূক্ত। যেখানে ১৫ থেকে ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। বিশাল এই শিক্ষার্থী জনবলকে অবহেলিত করে.....
শুধুমাত্র ইন্টারমেডিয়েট এর উপর
প্রাধান্য কেন???
কেন মূখস্ত বিদ্যায় সম্মান পাশ???
আমরা সম্মান শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী ইহার স্বচ্ছ জবাব চাই।
...সম্ভবত এ কারনেইবিশ্ববিদ্যায়ের বারান্দা দিয়ে ঘুরা, আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যায় থেকসম্মান পাশ করা একই কথা(যা হাজারো লোকে বলে)!!!
আমি বুঝিনা যে,
সম্মান কোর্সকে গ্রামীন করে সরকার
কি সফলতায় সাফল্য...
যেখানে কোয়ালিটি আগে না কোয়ান্টিটি আগে এ প্রশ্নের সমাধান কখনো খোঁজেনি।
সত্য বলতে সম্মান কোর্সকে গ্রামীন করে কেবলই ব্যাঙের ছাতার মত অনবরত কোয়ান্টিটি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে,
সম্ভব হয়নি কোয়ালিটি তৈরি করা।
কারন হিসাবে মার্কিন সাংবাদিক এর সেই কথাটিই বলছি....
এ পেক্ষাপটে আমার অভিমত বাংলাদেশ সরকার যখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেজরিটি ক্যারিয়ার শিক্ষার্থীকে অবজ্ঞা করে এবং এক অলস শিক্ষায় কেবলই দেশের জঞ্জাল করছেন তখন ভালো ফিডব্যাক কেমনে আশা করেন!!!
আপনার,
২০২১ ভিশনে শিক্ষার কদর যদি
এই হয় তবে ভিশন আশঙ্কার ঊর্ধ্বে নয়।
শ্রদ্ধেয় স্যার,
সৈয়দ শামসুল হকের মত আমিও বলছি.....
'মঙ্গার দেশ নয়
চাঙ্গার দেশ কুড়িগ্রাম'
কিন্তু
শিক্ষার মুক্তি সম্ভব হয়নি!!!
কারণ....
আলোড়ন সৃষ্টিকারী অবিসাংবাদিত নেতা নেলসন মেন্ডেলার বিখ্যাত উক্তির মাঝেই অন্তর্নিহিত...
"দুনিয়া পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা"
সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার ৪৫ বৎসর পেরলেও....
কুড়িগ্রাম কেন বাংলার সর্বাপেক্ষা দরিদ্রতম জেলা???
কে দিবে এ প্রশ্নের সমাধান!!!
তবুও স্বপ্ন দেখি, বুকে আশা বাঁধি
কারন একমাত্র আশাই পারে
সবকিছুকে প্রজ্জ্বলিত করতে।
তাই নিজেকে অনুপ্রেরনা দেই
মার্টিন লুথার কিং এর মত করে যে,
I have a Dream
এবং অন্যকে অনুপ্রানিত করি শিবখেরার মত করে বলে যে,
You can win.
হোক এ শিক্ষা ব্যবস্থার মুখোশ উন্মোচণ।
ততদিনে,
আসুন আমরা সকলেই বুকে আশা বাঁধি, স্বপ্ন দেখি এবং দেশের অহংকার হই।
ভালো থাকবেন সবাই।

![]() |
| বক্তব্যরতাবস্থায় আমি আনু ইসলাম |
[fb link]
১১ আগস্ট ২০১৬
বিদায় অনুষ্ঠান;
শিক্ষাবর্ষঃ (২০১০-১১)
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ, কুড়িগ্রাম।
উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে আমিও একজন বিদায়ী শিক্ষার্থী ছিলাম।
উপস্থাপক ছোট বোন মার্জিয়া
শুভেচ্ছা বক্তব্যের সুযোগ করে দিলে সকলকে অবগত করতে পেরেছিলাম কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের
কিছু বাস্তব চিত্র এবং শিক্ষার বাস্তবরুপ।
নিচে সংক্ষেপে
আমার বক্তব্যটি তুলে ধরছি....
'প্রসঙ্গের প্রাসঙ্গিকতা
চিত্রের বিচিত্রতা
এবং
আলোচনায় সমালোচনা
পূর্বে ছিলো, এখনো আছে, আজীবন থাকবে।'
তবুও বলছি.....
আমার কিছু বলার আছে।
বিজ্ঞানের একজন ছাত্র হিসাবে বিশ্বাস সিস্টেম হিসাবে আমার চেনা জানা অতি পরিচিত কুড়িগ্রামের সরকারি কলেজ। আর ইহারই শিক্ষা ব্যবস্থ্যর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার সত্যিকারের চিত্র পরিস্ফুটিত করতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ।
প্রথমত,
আপনারা জানেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সম্মান কোর্সে ১৪ টি বিভাগ অন্তর্ভূক্ত। যেখানে ১৫ থেকে ২০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। বিশাল এই শিক্ষার্থী জনবলকে অবহেলিত করে.....
শুধুমাত্র ইন্টারমেডিয়েট এর উপর
প্রাধান্য কেন???
কেন মূখস্ত বিদ্যায় সম্মান পাশ???
আমরা সম্মান শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী ইহার স্বচ্ছ জবাব চাই।
...সম্ভবত এ কারনেইবিশ্ববিদ্যায়ের বারান্দা দিয়ে ঘুরা, আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যায় থেকসম্মান পাশ করা একই কথা(যা হাজারো লোকে বলে)!!!
আমি বুঝিনা যে,
সম্মান কোর্সকে গ্রামীন করে সরকার
কি সফলতায় সাফল্য...
যেখানে কোয়ালিটি আগে না কোয়ান্টিটি আগে এ প্রশ্নের সমাধান কখনো খোঁজেনি।
সত্য বলতে সম্মান কোর্সকে গ্রামীন করে কেবলই ব্যাঙের ছাতার মত অনবরত কোয়ান্টিটি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে,
সম্ভব হয়নি কোয়ালিটি তৈরি করা।
কারন হিসাবে মার্কিন সাংবাদিক এর সেই কথাটিই বলছি....
"হাজারো লাশ আর রক্ত দিয়ে একটি ভূখন্ড থেকে একটি অংশ বেরুয়ে এলেই তাকে স্বাধীন বলা যায়না।........যেমন বাংলাদেশ।"
এ পেক্ষাপটে আমার অভিমত বাংলাদেশ সরকার যখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেজরিটি ক্যারিয়ার শিক্ষার্থীকে অবজ্ঞা করে এবং এক অলস শিক্ষায় কেবলই দেশের জঞ্জাল করছেন তখন ভালো ফিডব্যাক কেমনে আশা করেন!!!
আপনার,
২০২১ ভিশনে শিক্ষার কদর যদি
এই হয় তবে ভিশন আশঙ্কার ঊর্ধ্বে নয়।
শ্রদ্ধেয় স্যার,
সৈয়দ শামসুল হকের মত আমিও বলছি.....
'মঙ্গার দেশ নয়
চাঙ্গার দেশ কুড়িগ্রাম'
কিন্তু
শিক্ষার মুক্তি সম্ভব হয়নি!!!
কারণ....
আলোড়ন সৃষ্টিকারী অবিসাংবাদিত নেতা নেলসন মেন্ডেলার বিখ্যাত উক্তির মাঝেই অন্তর্নিহিত...
"দুনিয়া পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা"
সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার ৪৫ বৎসর পেরলেও....
কুড়িগ্রাম কেন বাংলার সর্বাপেক্ষা দরিদ্রতম জেলা???
কে দিবে এ প্রশ্নের সমাধান!!!
তবুও স্বপ্ন দেখি, বুকে আশা বাঁধি
কারন একমাত্র আশাই পারে
সবকিছুকে প্রজ্জ্বলিত করতে।
তাই নিজেকে অনুপ্রেরনা দেই
মার্টিন লুথার কিং এর মত করে যে,
I have a Dream
এবং অন্যকে অনুপ্রানিত করি শিবখেরার মত করে বলে যে,
You can win.
হোক এ শিক্ষা ব্যবস্থার মুখোশ উন্মোচণ।
ততদিনে,
আসুন আমরা সকলেই বুকে আশা বাঁধি, স্বপ্ন দেখি এবং দেশের অহংকার হই।
ভালো থাকবেন সবাই।

0 Comments
Post a Comment