আল্লাহু আকবার
![]() |
| রায়গঞ্জ হাসপাতাল(বর্তমান অবস্হা) |
আমরা রায়গঞ্জ বাসী । আমাদের হাটা চলায় মুখরীত এই সবুজ শ্যামল ইউনিয়ন । যেখানে পুরো ইউনিয় যেন একটি গ্রামের মত । কেননা এখানকার মানুষগুলো সকলই একে অন্যের সাথে গভীর সর্ম্পকে অাচ্ছাদিত । এখানকার মানুষগুলোর মন অতি সুন্দর ও কমল । আমাদের অবস্হান কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী ও ভূঙ্গামারী উপজেলার মধ্যবর্তী রায়গঞ্জ ইউনিয়নে। উভয় উপজেলা হতে এর নূন্যতম দূরত্ব ৮ কি.মি. (প্রায়) । এই ইউনিয়নে প্রায় ২৯ থেকে ৩০ হাজার লোকের বসবাস । আমাদের ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র রায়গঞ্জ । এখানে রয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলার সব চেয়ে বড় (আয়তনে) হাপাতাল । নাম রায়গঞ্জ হাসপাতাল । রায়গঞ্জ বাসীর(আমাদের) ভাগ্য অনেক ভালো বিধায় আমরা এরকম সুন্দর একটা হাসপাতাল পেয়েছি । কিন্তু বড়ই দূঃখ জনক বিষয় এই যে এই হাসপাতালটি এখন আর সচল নেই ।
এইতো কদিনের কথা আমি যখন রায়গঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ২০০৯ থেকে ২০১০ অধ্যয়নরত ছিলাম, তখনো এটির মূল অফিস চালু ছিল যদিও তখন এটি বদ্ধ হবার উপক্রম। বন্ধুরাসহ হাসপাতালে যেতাম । আর যেতেই দেখতে পেতাম শত শত লোকের সমাগম সেখানে । কেউবা স্লিপ নিয়ে ঔষধ উঠাচ্ছে আর কেউবা তাদের রোগীর যত্নে ব্যস্ত । আমরাও ঔষধ উঠাতাম । কিন্তু কালের পরিক্রমায় আমরা হারায়ে বসলাম আমাদের এই সেবা কেন্দ্রটি। যেখানে শুধু আমাদের ইউনিয়নের মানুষগুলোই সেবা পেয়েছিল এমটা নয়। এখানে ছুটে আসতো দূর দুরান্তের হাজারো মানুষজন । এই রায়গঞ্জ ইউনিয়ন একটি বন্যা প্লাবিত ইউনিয়ন । যা এর নামটি দ্বারাই প্রকাশ পায় । বিশেষকরে বর্ষাকালে এখানকার হজারো মানুষ বিভিন্ন প্রকার পানিবাহিত রোগের চরম ভোগান্তিতে পড়ে ।
তাদের অনেককেই চিরদিনের জন্যও বিদায় নিতে হয় ভালো চিকিৎসার অভাবে । খেটে খাওয়া এ সকল যান্ত্রিক মানুষ আপসস এর নিশ্বাস ফেলে আর যাযাবরের মত চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি করে।কখন কপালে জোটে ভালো চিকিৎসা আর সচারাচর অর্থনৈতিক সংকটের কবলে সব কিছু জলানঞ্জলি দিয়ে রোগে শোকে ধুকে ধুকে মৃত্যুপথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলে। হয়তবা প্রশ্ন উঠতে পারে যে দু-তিন ক্রোশ পাড়ি দিয়ে নাগেশ্বরী বা ভূঙ্গামারীতে গেলেইতো ভাল চিকিৎসা পাওয়া যায় । কিন্ত বড় লজ্জার এবং কষ্টের বিষয় এই যে বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র্য পীড়িত লোকের বাস কুড়িগ্রাম জেলায়। আর এই জেলারই সবচেয়ে অসহায় কুলি ও দিনমজুর লোকদের বসবাস এই রায়গঞ্জ নামক ইউনিয়নটিতে । শুধু বর্ষা কালেই নয় অন্যান্য কালেও এই নিরীহ অসহায় লোকগুলোকে পাড়ি দিতে হচ্ছে চরম লাঞ্চনার আর তীব্র বেদনার দিন । এখন যেন প্রত্যেকটি দিন প্রত্যেকটি মূহুর্ত মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে কাটাতে হচ্ছে অপেক্ষার প্রহর ।দু'চোখ ভরা স্বপ্নে আত্নবিশ্বাসে সবারই হৃদয়ে যে অপেক্ষা তা আর অন্য কিছু নয় বরং তা রায়গঞ্জ হাসপাতাল ফিরে পাওয়া। আবার কখন ফিরে পাব আমাদের প্রাণের এই হাসপাতাল ।
হাসপাতালটির বর্তমান দুরবস্হা ফুটে উঠেছে অনেক পত্রিকায় যার লিংক নিম্নে দেওয়া হল- m.prothom-alo.com/…/a…/439726/রায়গঞ্জ-হাসপাতাল-ধ্বংসের-মুখে
এইতো কদিনের কথা আমি যখন রায়গঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ২০০৯ থেকে ২০১০ অধ্যয়নরত ছিলাম, তখনো এটির মূল অফিস চালু ছিল যদিও তখন এটি বদ্ধ হবার উপক্রম। বন্ধুরাসহ হাসপাতালে যেতাম । আর যেতেই দেখতে পেতাম শত শত লোকের সমাগম সেখানে । কেউবা স্লিপ নিয়ে ঔষধ উঠাচ্ছে আর কেউবা তাদের রোগীর যত্নে ব্যস্ত । আমরাও ঔষধ উঠাতাম । কিন্তু কালের পরিক্রমায় আমরা হারায়ে বসলাম আমাদের এই সেবা কেন্দ্রটি। যেখানে শুধু আমাদের ইউনিয়নের মানুষগুলোই সেবা পেয়েছিল এমটা নয়। এখানে ছুটে আসতো দূর দুরান্তের হাজারো মানুষজন । এই রায়গঞ্জ ইউনিয়ন একটি বন্যা প্লাবিত ইউনিয়ন । যা এর নামটি দ্বারাই প্রকাশ পায় । বিশেষকরে বর্ষাকালে এখানকার হজারো মানুষ বিভিন্ন প্রকার পানিবাহিত রোগের চরম ভোগান্তিতে পড়ে ।
তাদের অনেককেই চিরদিনের জন্যও বিদায় নিতে হয় ভালো চিকিৎসার অভাবে । খেটে খাওয়া এ সকল যান্ত্রিক মানুষ আপসস এর নিশ্বাস ফেলে আর যাযাবরের মত চিকিৎসার জন্য ছোটাছুটি করে।কখন কপালে জোটে ভালো চিকিৎসা আর সচারাচর অর্থনৈতিক সংকটের কবলে সব কিছু জলানঞ্জলি দিয়ে রোগে শোকে ধুকে ধুকে মৃত্যুপথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলে। হয়তবা প্রশ্ন উঠতে পারে যে দু-তিন ক্রোশ পাড়ি দিয়ে নাগেশ্বরী বা ভূঙ্গামারীতে গেলেইতো ভাল চিকিৎসা পাওয়া যায় । কিন্ত বড় লজ্জার এবং কষ্টের বিষয় এই যে বাংলাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র্য পীড়িত লোকের বাস কুড়িগ্রাম জেলায়। আর এই জেলারই সবচেয়ে অসহায় কুলি ও দিনমজুর লোকদের বসবাস এই রায়গঞ্জ নামক ইউনিয়নটিতে । শুধু বর্ষা কালেই নয় অন্যান্য কালেও এই নিরীহ অসহায় লোকগুলোকে পাড়ি দিতে হচ্ছে চরম লাঞ্চনার আর তীব্র বেদনার দিন । এখন যেন প্রত্যেকটি দিন প্রত্যেকটি মূহুর্ত মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে কাটাতে হচ্ছে অপেক্ষার প্রহর ।দু'চোখ ভরা স্বপ্নে আত্নবিশ্বাসে সবারই হৃদয়ে যে অপেক্ষা তা আর অন্য কিছু নয় বরং তা রায়গঞ্জ হাসপাতাল ফিরে পাওয়া। আবার কখন ফিরে পাব আমাদের প্রাণের এই হাসপাতাল ।
হাসপাতালটির বর্তমান দুরবস্হা ফুটে উঠেছে অনেক পত্রিকায় যার লিংক নিম্নে দেওয়া হল- m.prothom-alo.com/…/a…/439726/রায়গঞ্জ-হাসপাতাল-ধ্বংসের-মুখে
স্হানিয় প্রত্রিকায়েও উঠে এসেছে হাসপাতালটির এই দূরাবস্হার কারন ও এর পিছনে থাকা কিছু কাল হাতে কথা যা নিম্ন উল্লিখিত লিংকে জানা যাবে-
www.bonikbarta.com/2015-02-12/news/details/28331.html
আর কিছু বিশেষ দিক উঠে এসেছে কিছু সচেতন মানুষের ব্লগ পোষ্টে । যা নিম্ন রূপ-
https://kurigramlive.wordpress.com/…/স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্স-র…/
কত কত রাজনীতিবিদ কত শত ইউ এন ও আর ডিসি এসপি আসে যায় এই কুড়িগ্রাম জেলায় । কোন একজনেরো কি হৃদয়ে আসমান সম শুল বাধাতে পারেনা আমাদের এই অবহেলিত অসহায় নরকঙ্কাল মানুষগুলোর আহাজারি আর নিংরে পরা চোখের জল । পেপার পত্রিকায়তো প্রায়শই উঠে আসে আমাদের রায়গঞ্জ হাসপাতালটির কথা তাতেওকি সরকারের চোখে একপলক নাড়া দিতে পারেনা এ হাসপাতাল আর আমাদের বুক ফাটা কান্না । আমরা সকল রায়গঞ্জবাসী সবিনয় নিবেদন করছি সরকার ও সরকারি কর্মকর্তাগণের সমীপে যে, নীরিহ আসহায় মোদের প্রতিক্ষার অশ্রু জল মুছে দিয়ে নিরাশার বুকে আবার আশার প্রদীপ জ্বালাতে মোদের প্রাণের হাসপাতালটিকে আবার সক্রিয় করে দিতে আপনাদের একান্ত মর্জি হয় ।
www.bonikbarta.com/2015-02-12/news/details/28331.html
আর কিছু বিশেষ দিক উঠে এসেছে কিছু সচেতন মানুষের ব্লগ পোষ্টে । যা নিম্ন রূপ-
https://kurigramlive.wordpress.com/…/স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্স-র…/
কত কত রাজনীতিবিদ কত শত ইউ এন ও আর ডিসি এসপি আসে যায় এই কুড়িগ্রাম জেলায় । কোন একজনেরো কি হৃদয়ে আসমান সম শুল বাধাতে পারেনা আমাদের এই অবহেলিত অসহায় নরকঙ্কাল মানুষগুলোর আহাজারি আর নিংরে পরা চোখের জল । পেপার পত্রিকায়তো প্রায়শই উঠে আসে আমাদের রায়গঞ্জ হাসপাতালটির কথা তাতেওকি সরকারের চোখে একপলক নাড়া দিতে পারেনা এ হাসপাতাল আর আমাদের বুক ফাটা কান্না । আমরা সকল রায়গঞ্জবাসী সবিনয় নিবেদন করছি সরকার ও সরকারি কর্মকর্তাগণের সমীপে যে, নীরিহ আসহায় মোদের প্রতিক্ষার অশ্রু জল মুছে দিয়ে নিরাশার বুকে আবার আশার প্রদীপ জ্বালাতে মোদের প্রাণের হাসপাতালটিকে আবার সক্রিয় করে দিতে আপনাদের একান্ত মর্জি হয় ।
আমার ব্লগঃ
Mob: 01761110181 Email: anukgc@gmail.com






0 Comments
Post a Comment