মহাকর্ষীয় তরঙ্গ
সাধারণত আমরা; সবকিছুকে দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা- এই তিনটি মাত্রা দিয়ে গঠিত বিচার করলেও আইনস্টাইন এই তিন মাত্রার সাথে যোগ করেন আরো একটি মাত্রা- সময়। দৈর্ঘ, প্রস্থ ও উচ্চতা দ্বারা গঠিত স্পেস(স্থান) আইনস্টাইনের আবিষ্কৃত সময় নামক নতুন মাত্রার সমন্বয়ে গড়ে তোলে স্থান-কালের ফেব্রিক(বিন্যাস)। যখন কোনো ভর বিশিষ্ট বস্তুকে মহাকাশে স্থাপন করা হয়, তখন সেই বস্তু তার চারপাশের স্থান-কালকে বাঁকিয়ে ফেলে। এই ঘটনাকে স্থান-কালের বক্রতা বলা হয়। যখন এই স্থান-কালের বক্রতার কোনো পরিবর্তন হয়, তখন একটি তরঙ্গের সৃষ্টি হয়। পরবর্তিতে এই নতুন সৃষ্ট তরঙ্গ পুরো মহাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এই তরঙ্গটিকেই বলা হয় মহাকর্ষীয় তরঙ্গ। ১৯১৫ সালে আইনস্টাইন প্রথমবারের মতো মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ব্যাপারে অনুমান করেন। তবে তিনি বলেছিলেন, এই তরঙ্গ শনাক্ত করা সম্ভব নাও হতে পারে। কারণ, অসীম দূরবর্তী স্পেস থেকে পৃথিবীতে আগত তরঙ্গের কম্পাঙ্ক এতো বেশি ক্ষীণ হবে যে, তা পরিমাপ করা অত্যন্ত কষ্ট সাধ্য বা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
আর জানতে পড়ুন আমার লেখা নিম্নক্ত আর্টিকেলটি- মহাকর্ষীয় তরঙ্গকে খুঁজে পাওয়া – জ্যোতির্বিদ্যার এক সুবর্ণ যুগের শুরু!!!
নোবেল জয়ী তিন বিজ্ঞানীর কথা
নোবেল জয়ী তিনজন বিজ্ঞানী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ৩ অক্টোবর রয়্যাল সুইডিস অ্যাকাডেমি অব সাইন্স ‘লিগো শনাক্তকারী যন্ত্র এবং মহাকর্ষীয় তরঙ্গ পর্যবেক্ষণে নিষ্পত্তিমূলক অবদানের জন্য’ তাদের নোবেল পুরষ্কার অর্জনের কথা জানায়। পুরষ্কার হিসেবে তারা পাবেন ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার(প্রায় ৯ কোটি টাকা)। তবে এ অর্থের অর্ধেক পাবেন ওয়েইজ, বাকি অর্ধেক নিজেদের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে নিবেন ব্যারিস এবং থ্রোন।
আর জানতে ভিজিট করুন
বিডি সংলাপ
0 Comments
Post a Comment